জেলা প্রশাসন
left_menu_pic
Joomla Slide Menu by DART Creations
left_menu_footer
বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদ


মুহিবুর রহমান
চেয়ারম্যান
যোগাযোগের তথ্য
ঠিকানা : উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের কার্যালয় বিশ্বনাথ, সিলেট।
টেলিফোন :০৮২২৪-৫৬০৬৯


মুঠোফোন :০১৭৩০-৩৩১০৩২
ই-মেইল : এই ইমেইল ঠিকানা স্পামবট থেকে রক্ষা করা হচ্ছে।এটি দেখতে হলে আপনাকে JavaScript সক্রিয় করতে হবে।

কাজী মোহাম্মদ মোজ্জামেল হক
উপজেলা নিবাহী অফিসার
কার্যক্রম | পটভূমি | পরিচালনা পর্ষদ

এক নজরে উপজেলা

আয়তন

২১৪.৫০ বর্গ কিঃ মিঃ অথবা ৮২.৮২ বর্গমাইল

জনসংখ্যা

১৮৯৭২০ জন

পুরুষ

৯৫,৯২০  জন

মহিলা

৯৩,৮০০ জন

জনসংখ্যার ঘনত্ব

৮৮৪ জন ( প্রতি বর্গ  কিঃ মিঃ )

পুরুষ-মহিলা  অনুপাত

১০০: ৯৮

নির্বাচনী  এলাকা

সিলেট-২ (বিশ্বনাথ-বালাগঞ্জ )

উপজেলা

বিশ্বনাথ

থানা

বিশ্বনাথ

পৌরসভা

নাই

ইউনিয়ন

৮টি

মৌজা

১১৫টি

বার্ষিক  বৃষ্টিপাত

১৭২.৮ মিঃ মিঃ

বার্ষিক গড়  তাপমাত্রা

২৫.৩ ডিগ্রী সেলসিয়াস

আদ্রতা

---

সরকারী  হাসপাতাল

০১টি

স্বাস্থ্য  কেন্দ্র

০২ টি

জনসংখ্যার  বৃদ্ধির হার

১.৫১%

শিশু মৃত্যুর হার

প্রতি হাজারে ৮৫ জন

গড়  আয়ু

৬৩ বছর

বিশ্ববিদ্যালয়

নাই

ডিগ্রী  কলেজ

০২ টি

উচ্চ  মাধ্যমিক  কলেজ

০১টি

মাধ্যমিক  বিদ্যালয়

২৯টি

সরকারী  প্রাথমিক  বিদ্যালয়

১০০টি

কমিউনিটি  প্রাথমিক  বিদ্যালয়

১১টি

রেজিষ্টার্ড  বেসরকারী   প্রাথমিক  বিদ্যালয়

১২টি

মাদরাসা (সকল)

৩৫টি

স্যাটেলাইট  বিদ্যালয়

নাই

সাক্ষরতার হার

৪৩.৬%

বর্তমান  জেলা  প্রশাসক

জনাব সাজ্জাদুল হাসান

ডাকঘর

১৫ টি

বিদ্যুতায়িত  গ্রাম

২৩১টি

টেলিফোন  গ্রাহক

৯৮টি

টিউবওয়েল

১০৫২৫ টি

নদী

২ টি

বদ্ধ জলমহাল

২০ একরের উর্ধ্বে

অনুর্ধ্ব ২০ একর

৪টি

৭টি

১১টি

উন্মুক্ত  জলমহাল

১৪ টি

হাট-বাজার

৩৮ টি

মোট জমি

৫২৯৮১.৫ একর

মোট  আবাদ জমি

৩৯৫০০ একর

কৃষি  পরিবার

২৯১৭৬ টি

পেশা( কৃষি কাজের  উপর নির্ভরশীল)

৫৩১০০

এলজিইডি  কর্তৃক  বাসত্মবায়িত  গ্রোথ  সেন্টার

০৪টি

ব্যাংক

২৬ টি

নিবন্ধিত  সমবায়  সমিতি

১৩ টি

শিল্প  কারখানা

নাই

মসজিদ

৫০২ টি

মন্দির

০৪টি

গির্জা

নাই

ইউনিয়ন  ভূমি  অফিস

০৪টি

কাচা  রাস্তা

২০৯.৩৬ কিঃ মিঃ

পাকা  রাস্তা

১৮৯.০০ কিঃ মিঃ

পশু  হাসপাতাল

০১ টি

আবাসন/ আশ্রায়ণ  প্রকল্প

০১ টি

আদর্শ  গ্রাম

০১ টি

খেয়াঘাট/নৌকাঘাট

নাই

উপরে

উপজেলার পটভূমি

বিশ্বনাথের  নামকরণের  ইতিহাসঃ এই  জনপদের  ইতিহাস  ও  ক্রমবিকাশ  পর্যালোচনা  করলে দেখা  যায়  এখানে মুসলমান  ও  হিন্দু  জমিদারদের  আবির্ভাব  ঘটেছিল।  বিশ্বনাথ  বাজার  ও  অন্যান্য  গুরুত্বপূর্ণ  স্থান  সমুহের  সে  সময়  মালিক  ছিলেন  হিন্দু  জমিদাররা । এ  রকমই  এক হিন্দু  পরিবারে  বংশধর  বাবুরাম  জীবন  রায়  ও তাঁর পুত্র বিশ্বনাথ  রায়  চৌধুরীর  নামে সংশ্লিষ্ট  এলাকার  জমিদারী  ১৭৯৩  সালে  লর্ড  কর্নওয়ালিসের  চিরস্থায়ী   বন্দোবস্তের  সময়  ঘটে  এবং  কালক্রমে  তাদের  জমির  উপর  প্রাথমিক  ভাবে বিশ্বনাথ  বাজারসহ  বিভিন্ন  প্রশাসনিক  প্রতিষ্ঠান  গড়ে  উঠেছিল  বলে  সংশ্লিষ্ট জমিদার  বিশ্বনাথ  চৌধুরীর  নামানুসারে  বিশ্বনাথ  নামকরণ  হয়েছে ।


বিশ্বনাথ  উপজেলা  সৃষ্টির ইতিহাসঃ বিশ্বনাথ  থানা  প্রতিষ্ঠার  পূর্বে  তৎকালীন  বৃটিশ  সরকার  কর্তৃক  ১৮৮৫ সালে  লোকাল  সেলফ  গর্ভমেন্ট আইনে  ইউনিয়ন বোর্ড  এবং  ১৯১৯ সালে ইউনিয়ন বোর্ড  বাতিল  হলে  পুনরায় ‘‘ বেঙ্গল  ভিলেজ  সেলফ  গর্ভমেন্ট ’’  আইনে  ইউনিয়ন  বোর্ড  হিসেবে  এখানকার  প্রশাসনিক  কার্যক্রম  পরিচালিত  হতে থাকে।  এক্ষেত্রে  এক  পর্যায়ে  ১৯২২ সালের

১লা জানুয়ারী তৎকালীন  সরকারের  ১৭৫ নং জি. জে. গেজেট  নোটিফিকেশনে বিশ্বনাথে  ‘‘ থানা’’ প্রতিষ্ঠা  হয়।  থানা  শুধু  আইন-শৃংখলা   রক্ষাকারী  অর্থাৎ  পুলিশ  সম্পর্কিত  কার্যক্রমের   মধ্যেই  সীমাবদ্ধ  ছিল।  এর  আগে  প্রতিষ্ঠান   হিসেবে  এখানে ১৯০৮ সালে  বৃটিশ  সরকারের  রেজিষ্ট্রেশন  আইনের  আওতায়  শুধুমাত্র  রেজিষ্ট্রি  অফিস  স্থাপিত হয়। সে সময়  বিশ্বনাথের  বর্তমান  রামসুন্দর উচ্চ বিদ্যালয়টি  প্রাইমারি  স্কুল  ছিল। ১৯০৯ সালে এ স্কুলটি এম.ই স্কুল হিসেবে  রূপান্তরিত  হয়। ১৯২৮ সালের  মে  মাসে  বিশ্বনাথে  প্রধান  কার্যালয়  স্থাপিত  হওয়ার  পর  থেকে  পুলিশি  কার্যক্রম  ছাড়াও  সামগ্রিক  প্রশাসনিক  কাজ  আনুষ্ঠানিক  ভাবে  শুরু  হয়।  এ  সময়  স্থানীয়  প্রশাসনিক  সংস্থা  ইউনিয়ন  বোর্ডগুলো  গুরুত্বপূর্ন  ভূমিকা  পালন  করে।  প্রায় ৪০  বছর  এ  ব্যবস্থা  কার্যকরী  ছিল।  এ সময়  দেশ  বিভাগের  মত  গুরুত্বপূর্ন  ঘটনা  ঘটে।  ১৯৪৭ সালে  তৎকালীন ১৪ আগষ্ট পাকিস্থান রাষ্ট্রের  সৃষ্টি  হয়। পাকিস্থান সৃষ্টির  ১২ বছর  পর ১৯৫৯  সালে তৎকালীন  সরকারের একটি  আদেশের  বলে স্থানীয়  সরকারগুলো এসময়  পুনরায়  পুর্নগঠিত  হয়  এবং স্থানীয়  সংস্থার  নাম  ইউনিয়ন  বোর্ডের স্থলে ইউনিয়ন  পরিষদ  গঠিত  হয়।  এ ব্যবস্থার প্রায় ১২  বছর  দেশ  চলার  পর  ১৯৭১  সালে দেশ  স্বাধীন  হয়  এবং  ১৯৭২ সালে  স্বাধীন  বাংলাদেশের  রাষ্ট্রপতির  এক  আদেশের  বলে  স্থানীয় এ  সংস্থাটির নামকরণ  হয়  ইউনিয়ন পঞ্চায়েত । এরপর ১৯৭৩ সালে রাষ্ট্রপতির অপর  এক  আদেশের বলে  এটাকে ইউনিয়ন  পরিষদ  নামকরণ  করা  হয়, যা ১৯৭৬  সালে লোকাল গর্ভমেন্ট(ইউনিয়ন পরিষদ) অর্ডিন্যান্স  হিসেবে  কার্যকর  হয়। এ  সময়  একবার  ইউনিয়ন  পরিষদের  নীচে ‘ গ্রাম সরকার ’ নামে  একটি  প্রশাসনিক সত্ত্বার সৃষ্টি  করা হয়। কিন্তু  পরবর্তীতে  তা  স্থগিত  করা  হয়।  এভাবে স্থানীয়  সংস্থাগুলোকে পরিচালিত  করার  পর  ১৯৮২  সালের ৭ই  নভেম্বর  হতে  স্থানীয়  সরকার  অধ্যাদেশের  আওতায়  স্থানীয় সংস্থার  মাধ্যমে  থানা  পরিষদগুলো  মান  উন্নীত  থানা  করার  প্রক্রিয়া  শুরু  হয়  এবং  এ  বছর ৭৫৯ নং গেজেট  নোটিফিকেশনে  বিশ্বনাথকে  মানোন্নীত  থানায়  উন্নীত  করা  হয়। ১৯৮৩ সালের  ২৪শে মার্চ  তৎকালীন  নৌবাহিনীর  প্রধান  রিয়াল  এডমিরাল  মাহবুব  আলী  খান  এ  সময়  বিশ্বনাথ  থানাকে  মানোন্নীত  থানা  হিসেবে  উদ্বোধন  করেন । একই  বছর  স্থানীয়  সরকার   অধ্যাদেশ সংশোধন  করে  মানোন্নীত  থানা  গুলোকে  উপজেলা  পরিষদ  নামকরণ  করা  হয়।  উপজেলা  পরিষদ অধ্যাদেশ  জারির  মাধ্যমে  জনগণের  সরাসরি  ভোটে  চেয়ারম্যান  নির্বাচনের  প্রক্রিয়া  চালু  হয় ।

বিশ্বনাথ উপজেলার অবস্থানঃ সিলেট বিভাগীয় শহর থেকে প্রায় ১৪ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে বিশ্বনাথ উপজেলার অবস্থান। এ উপজেলার উত্তরে রয়েছে সিলেট জেলার সদর উপজেলা ও সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলা, দক্ষিণে রয়েছে সিলেট জেলার ওসমানী নগর থানা, পূর্বে রয়েছে সিলেট জেলার দক্ষিণ সুরমা উপজেলা এবং পশ্চিমে রয়েছে সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক ও জগন্নাথপুর উপজেলা। আয়তন ২১৪. ৫০ বর্গ কি.মি বা ৮২.৮২ বর্গ মাইল।
উপরে

পরিচালনা পর্ষদ

উপজেলা পরিষদের সদস্য সমূহের নাম ও পদবীঃ

জনাব মুহিবুর রহমান, চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদ, বিশ্বনাথ, সিলেট ।

জনাব গৌছ খান, ভাইস চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদ, বিশ্বনাথ

মোছাঃ আঙ্গুরা বেগম, মহিলা ভাইস  চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদ, বিশ্বনাথ

জনাব মোঃ কবির হোসেন  ধলা মিয়া, চেয়ারম্যান,১নং লামাকাজী ইউপি

জনাব মোঃ রজব আলী, চেয়ারম্যান,২নং খাজাঞ্চী ইউপি

জনাব মোঃ সামছুজ্জামান, চেয়ারম্যান,৩নং অলংকারী  ইউপি

জনাব মোঃ আজিজুর রহমান, চেয়ারম্যান,৪নং রামপাশা ইউপি

জনাব মোঃ আমির  আলী, চেয়ারম্যান,৫নং দৌলতপুর ইউপি

জনাব মোঃ ছয়ফুল হক, চেয়ারম্যান,৬নং বিশ্বনাথ ইউপি

জনাব ফখরুল আহমদ মতছিন, চেয়ারম্যান,৭নং দেওকলস ইউপি

জনাব সফিক  উদ্দিন  আহমদ, চেয়ারম্যান,৮নং দশঘর  ইউনিয়ন  পরিষদ, বিশ্বনাথ ।


পজেলার কার্যক্রম

উপজেলা পরিষদ কার্যক্রম ও নাগরিক সেবা সমূহঃ

০১) পাচঁসালা ও বিভিন্ন মেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনা তৈরী করা।

০২) পরিষদের নিকট হস্তান্তরিত বিভিন্ন সরকারী দপ্তরের কর্মসূচী বাস্তবায়ন এবং উক্ত দপ্তরের কাজ কর্মসমূহের তত্ত্বাবধান ও সমন্বয় করা।

০৩) আন্তঃ ইউনিয়ন সংযোগকারী রাস্তা নির্মাণ, মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ করা।

০৪) ভূ-উপরিস্থ পানি সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য সরকারের নির্দেশনা অনুসারে উপজেলা পরিষদ ক্ষুদ্র সেচ প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন।

০৫) জনস্বাস্থ্য, পুষ্টি ও পরিবার পরিকল্পনা সেবা নিশ্চিতকরণ।

০৬) স্যানিটেশন ও পয়ঃ নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নতি সাধন এবং সুপেয় পানীয় জলের সরবরাহ ব্যবস্থা গ্রহণ।

০৭)(ক) উপজেলা পর্যায়ে শিক্ষা প্রসারের জন্য উদ্ধুদ্ধকরণ এবং সহায়তা প্রদান ;

(খ) মাধ্যমিক শিক্ষা এবং মাদ্রাসা শিক্ষা কার্যক্রমের মান উন্নয়নের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান গুলির কার্যক্রম তদারকী ও উহাদিগকে সহায়তা প্রদান।

০৮) কুঠির ও ক্ষুদ্র শিল্প স্থাপন ও বিকাশের লক্ষ্যে কার্যক্রম গ্রহণ।

০৯) সমবায় সমিতি ও বেসরকারী স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানের কাজ সহায়তা প্রদান এবং উহাদের কাজের সমন্বয় সাধন।

১০) মহিলা, শিশু, সমাজকল্যাণ এবং যুব, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে সহায়তা প্রদান এবং বাস্তবায়ন করা।

১১) কৃষি, গবাদি পশু, মৎস্য এবং বনজ সম্পদ উন্নয়নে কার্যক্রম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন।

১২) উপজেলায় আইন-শৃংখলা পরিস্থিতির উন্নয়নসহ পুলিশ বিভাগের কার্যক্রম আলোচনা এবং নিয়মিত ভাবে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট প্রতিবেদন প্রেরণ।

১৩) আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দারিদ্র বিমোচনের জন্য নিজ উদ্যোগে কর্মসূচী গ্রহণ, বাস্তবায়ন এবং এতদসম্পর্কে সরকারী কর্মসূচী বাস্তবায়নে সরকারকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান।

১৪) ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়ন কার্যক্রমের সমন্বয় সাধন এবং পরীক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান।

১৫) নারী ও শিশু নির্যাতন ইত্যাদি অপরাধ সংঘঠিত হওয়ার বিরুদ্ধে জনমত সৃষ্টিসহ অন্যান্য প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম গ্রহণ।

১৬) সন্ত্রাস, চুরি, ডাকাতি, চোরাচালান, মাদক দ্রব্য ব্যবহার ইত্যাদি অপরাধ সংঘঠিত হওয়ার বিরুদ্ধে জনমত সৃষ্টিসহ অন্যান্য প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম গ্রহণ।

১৭) পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়নের লক্ষ্যে সামাজিক বনায়নসহ অন্যান্য কার্যক্রম গ্রহণ।

১৮) সরকার কর্তৃক সময়ে সময়ে প্রদত্ত অন্যান্য কার্যাবলী।


উপরে