জেলা প্রশাসন
left_menu_pic
Joomla Slide Menu by DART Creations
left_menu_footer
ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা পরিষদ


মোঃ সাইফুল্লাহ আল হোসাইন
চেয়ারম্যান

যোগাযোগের তথ্য
ঠিকানা : উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের কার্যালয় ফেঞ্চুগঞ্জ, সিলেট।
টেলিফোন :০৮২২৬-৫৬৩০০


মুঠোফোন :০১৭১১৯৬৭৭৬৬
ই-মেইল : এই ইমেইল ঠিকানা স্পামবট থেকে রক্ষা করা হচ্ছে।এটি দেখতে হলে আপনাকে JavaScript সক্রিয় করতে হবে।

হামিম হাসান
উপজেলা নির্বাহী অফিসার
কার্যক্রম | পটভূমি | পরিচালনা পর্ষদ

এক নজরে উপজেলা

আয়তন

১১৪.৪৮ বর্গ কিঃ মিঃ

জনসংখ্যা

৯৫,১৬১ জন(২০০১ এর আদম শুমারী অনুযায়ী)

জনসংখ্যার ঘনত্ব

৮৩১.২৫  জন(প্রতি বর্গ কি.মি)

নির্বাচনী এলাকা

২৩১, সিলেট-৩ (দক্ষিণ সুরমা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জ উপজেলার একাংশ)।

থানা/ইউনিয়ন

থান-০১ টি, ইউনিয়ন ০৩ টি।

মৌজা

৩০ টি

সরকারী হাসপাতাল

০১ টি

স্বাস্থ্য কেন্দ্র/ ক্লিনিক

০২টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্র, কমিউনিটি ক্লিনিক ০৭টি

পোষ্ট অফিস

০৭ টি

নদ-নদী

ছোট-বড় ৪ টি ।

হাট-বাজার

০৭ টি

ব্যাংক

০৯ টি

উপরে

উপজেলার পটভূমি

নামকরণঃ ফেঞ্চুগঞ্জের নামকরণ সম্পর্কে ইতিহাস থেকে কোন সঠিক তথ্য পাওয়া যায়নি। যার ফলে এ উপজেলার নামকরণ নিয়ে নানা জনের নানা মত রয়েছে। নামকরণ সম্পর্কে যে সব তথ্য উদঘাটন করা হয়েছে সেগুলির কোন লিখিত দলিল না থাকায় এর সত্যতা যাচাই করে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হয়নি। তবে নূরপুর গ্রামের দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী কর্তৃক প্রণীত ফেঞ্চুগঞ্জ অঞ্চলের গৌরবময় পুরাতত্ব বিষয়ক পুস্তিকার উদ্বৃতি অনুযায়ী জানা যায়, পূর্বকালে পরগণার বাজার, পিটাইটিকর ও কুশিয়ারা নদীর দক্ষিণ পাড়ের মধ্যবর্তী বর্তমান ছুরপান আলীর বাড়ীর পার্শ্বে ছিল। তখন স্টিমার পথ বা রেল পথ ছিলনা। বর্ষাকালে চর্তুদিকে পানি থাকত। এ ছাড়াও নানাবিধ কারনে পরগনাবাসী বাজার স্থানান্তরের প্রয়োজন অনুভব করেন। তখন ফেঞ্চুগঞ্জের বর্তমান পূর্ব বাজারের স্থান নির্ধারণ করা হয়। তৎকালীন সময়ে ঐ স্থানের মালিকগণ পরগণাবাসীকে বাজারের জন্য বারো আনা মালিকী স্বত্ব দান করেন। ইন্দানগর পরগনার ফরিদপুর মৌজায় ব্রাক্ষণবাড়ী সংলগ্ন দক্ষিণে যে ছাড়া বাড়ী আছে ঐ বাড়ীর বাসিন্দা ফেচুঁরাম বৈদ্য নামক এক ব্যক্তির একটি মাত্র দোকান ঐ স্থানে পূর্ব থেকে চালু ছিল। ঐ ফেচুঁরাম এর নামানুসারে উক্ত স্থানের নাম লোকজনের অজ্ঞাতসারেই ফেঁচুগঞ্জ নামে পরিচিত হতে থাকে। পরবর্তীতে ফেঁচুগঞ্জকে ফেঞ্চুগঞ্জ নামকরণ করা হয়।

এ ছাড়াও এলাকায় বিভিন্ন জনশ্রুতি রয়েছে। সেগুলোর মধ্যে অন্যতম দু’টি হচ্ছে (১) বর্তমান উপজেলা ভূমি অফিসের আশপাশের কোন এক স্থানে জেলে, কৃষকদের নিত্য প্রয়োজনীয় তামাক, চিড়া,গুড়, মুড়ি ইত্যাদিও পশরা নিয়ে ফেচু নামের এক ব্যক্তির ঝুপড়ি ঘরের মত একটি দোকান ছিল। ঐ দোকানদার ব্যক্তির নামানুসারে ফেচুগঞ্জ যা পরবর্তীতে ফেঞ্চুগঞ্জ নামকরণ করা হয়। (২) অপর জনশ্রুতি হচ্ছে হযরত শাহ মালুম(রঃ) এর মাজারের একজন খাদেম ছিলেন পেঁচু শাহ বা ফেঁচুাই শাহ। তিনি প্রতিদিন বিকেল বেলা কুশিয়ারা নদীর ঘাটে এসে বসতেন। পরে এখানে দোকান পাট ঘড়ে উঠলে এর নাম ফেঁচুগঞ্জ রাখা হয়। পরবর্তী সময়ে ফেঁচুগঞ্জ এর নাম সংশোধন করে ফেঞ্চুগঞ্জ রাখা হয়।

ভৌগলিক অবস্থানঃ পূর্বে- সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলা। পশ্চিমে- সিলেট জেলার বালাগঞ্জ উপজেলা। উত্তরে- সিলেট জেলার দক্ষিণ সুরমা ও গোলাপগঞ্জ উপজেলা। দক্ষিণে- মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর ও কুলাউড়া উপজেলা।

বর্তমান উপজেলার ইতিহাসঃ বৃটিশ শাসিত ভারতের অন্যতম জাহাজ কোম্পানী IGN of R.S.N (Indian General Navigation of River system Navigation Co LTD) এর জাহাজ মেরামত কেন্দ্র ছিল কুশিয়ারা তীরবর্তী ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা। ১৯২২ সালের ১০ জানুয়ারী ০৩টি ইউনিয়ন নিয়ে ফেঞ্চুগঞ্জ একটি থানা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে ১৯৮৩ সালের ২ জুলাই বাংলাদেশের অন্যান্য থানার সাথে এক প্রশাসনিক আদেশে ইহা উপজেলায় রূপান্তরিত হয়।

বৃটিশ শাসিত ভারতের অন্যতম জাহাজ কোম্পানী IGN of R.S.N (Indian General Navigation of River system Navigation Co LTD) এর জাহাজ মেরামত কেন্দ্র ছিল কুশিয়ারা তীরবর্তী ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বর্তমান কার্যালয়টি ছিল মেরামত কোম্পানীর এজেন্ট এর বাংলো। বর্তমান উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বাসভবনটি ছিল জাহাজ কোম্পানীর ইঞ্জিনিয়ার সাহেবের বাসা। কালের বিবর্তনে জাহাজ কোম্পানীর বাংলো উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে রূপান্তরিত হয়েছে। এ কার্যালয় ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বাসাকে কেন্দ্র করে এলাকার প্রবীন ব্যক্তিদের নিকট অনেক গল্প প্রচলিত আছে। অনেকে এ কার্যালয়কে ‘‘ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর অফিস ’’ হিসাবে অভিহিত করত। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের অফিস ভবনটি বর্তমানে ব্যবহার উপযোগী হলেও প্রশাসনিক ঐতিহ্য হিসাবে একে সংরক্ষণ করা একান্ত অপরিহার্য- যাতে করে পরবর্তী প্রজন্মও আমাদের অতীত ইতিহাসের নিদর্শন প্রত্যক্ষ করতে পারে।

উপরে

পরিচালনা পর্ষদ

নং

নাম

পদবী

জনাব মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী,মাননীয় সংসদ সদস্য

মুখ্য উপদেষ্টা

জনাব মোঃ সাইফুল্লাহ আল হোসাইন

চেয়ারম্যান

জনাব মুহাম্মদ শহিদুর রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান(পূ:)

সদস্য

বেগম জাহানারা বেগম, ভাইস চেয়ারম্যান(ম:)

সদস্য

জনাব জাহিরুল ইসলাম মুরাদ, চেয়ারম্যান, ১নং ফেঞ্চুগঞ্জ ইউপি

সদস্য

জনাব মো: নুরুল ইসলাম বাছিত, চেয়ারম্যান, ২নং মাইজগাঁও ইউপি

সদস্য

জনাব আশরাফ আলী, , চেয়ারম্যান, ৩নং ঘিলাছড়া ইউপি

সদস্য

পজেলার কার্যক্রম

উপজেলা পরিষদ কার্যক্রম ও নাগরিক সেবা সমূহঃ

০১) পাচঁসালা ও বিভিন্ন মেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনা তৈরী করা।

০২) পরিষদের নিকট হস্তান্তরিত বিভিন্ন সরকারী দপ্তরের কর্মসূচী বাস্তবায়ন এবং উক্ত দপ্তরের কাজ কর্মসমূহের তত্ত্বাবধান ও সমন্বয় করা।

০৩) আন্তঃ ইউনিয়ন সংযোগকারী রাস্তা নির্মাণ, মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ করা।

০৪) ভূ-উপরিস্থ পানি সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য সরকারের নির্দেশনা অনুসারে উপজেলা পরিষদ ক্ষুদ্র সেচ প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন।

০৫) জনস্বাস্থ্য, পুষ্টি ও পরিবার পরিকল্পনা সেবা নিশ্চিতকরণ।

০৬) স্যানিটেশন ও পয়ঃ নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নতি সাধন এবং সুপেয় পানীয় জলের সরবরাহ ব্যবস্থা গ্রহণ।

০৭)(ক) উপজেলা পর্যায়ে শিক্ষা প্রসারের জন্য উদ্ধুদ্ধকরণ এবং সহায়তা প্রদান ;

(খ) মাধ্যমিক শিক্ষা এবং মাদ্রাসা শিক্ষা কার্যক্রমের মান উন্নয়নের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান গুলির কার্যক্রম তদারকী ও উহাদিগকে সহায়তা প্রদান।

০৮) কুঠির ও ক্ষুদ্র শিল্প স্থাপন ও বিকাশের লক্ষ্যে কার্যক্রম গ্রহণ।

০৯) সমবায় সমিতি ও বেসরকারী স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানের কাজে সহায়তা প্রদান এবং উহাদের কাজের সমন্বয় সাধন।

১০) মহিলা, শিশু, সমাজকল্যাণ এবং যুব, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে সহায়তা প্রদান এবং বাস্তবায়ন করা।

১১) কৃষি, গবাদি পশু, মৎস্য এবং বনজ সম্পদ উন্নয়নে কার্যক্রম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন।

১২) উপজেলায় আইন-শৃংখলা পরিস্থিতির উন্নয়নসহ পুলিশ বিভাগের কার্যক্রম আলোচনা এবং নিয়মিত ভাবে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট প্রতিবেদন প্রেরণ।

১৩) আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দারিদ্র বিমোচনের জন্য নিজ উদ্যোগে কর্মসূচি গ্রহণ, বাস্তবায়ন এবং এ সম্পর্কে সরকারী কর্মসূচি বাস্তবায়নে সরকারকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান।

১৪) ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়ন কার্যক্রমের সমন্বয় সাধন এবং পরিবীক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান।

১৫) নারী ও শিশু নির্যাতন ইত্যাদি অপরাধ সংঘটিত হওয়ার বিরুদ্ধে জনমত সৃষ্টিসহ অন্যান্য প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম গ্রহণ।

১৬) সন্ত্রাস, চুরি, ডাকাতি, চোরাচালান, মাদক দ্রব্য ব্যবহার ইত্যাদি অপরাধ সংঘঠিত হওয়ার বিরুদ্ধে জনমত সৃষ্টিসহ অন্যান্য প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম গ্রহণ।

১৭) পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়নের লক্ষ্যে সামাজিক বনায়নসহ অন্যান্য কার্যক্রম গ্রহণ।

১৮) সরকার কর্তৃক সময়ে সময়ে প্রদত্ত অন্যান্য কার্যাবলী।

 

 

উপরে