জেলা প্রশাসন
left_menu_pic
Joomla Slide Menu by DART Creations
left_menu_footer
গোয়াইনঘাট উপজেলা পরিষদ


নাম: আব্দুল হাকিম চৌধুরী
পদবী: চেয়ারম্যান
যোগাযোগের তথ্য
ঠিকানা

চেয়ারম্যান উপজেলা পরিষদ

ডাক ও উপজেলা-গোয়াইনঘাট,সিলেট।

টেলিফোন :০৮২২৮-৫৬০৭১


মুঠোফোন :০১৭১৬৮৮২৮৪৬
ই-মেইল : এই ইমেইল ঠিকানা স্পামবট থেকে রক্ষা করা হচ্ছে।এটি দেখতে হলে আপনাকে JavaScript সক্রিয় করতে হবে।

এ কে এম তারেক
উপজেলা নির্বাহী অফিসার
কার্যক্রম | নাগরিক সেবা | শাখা অফিসের তালিকা

এক নজরে উপজেলা

ক্রমিক নং

আয়তন

৪৮৮.৫৫ বর্গ কিলো মিটার।

জনসংখ্যা

২০৭১৭০ জন (২০০১ সালের আদম সুমারী অনুযায়ী)।

জনসংখ্যার ঘনত্ব

৪২৬ জন।( প্রতি বর্গ কি.মি)

নির্বাচনী এলাকা

২৩২ সিলেট-৪।

ইউনিয়ন

৮টি।

থানা

১টি।

মৌজা

২৬২টি।

সরকারী হাসপাতাল

১টি।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র

৫টি।

ক্লিনিক

১১টি কমিউনিটি ক্লিনিক।

১০

পোষ্ট অফিস

১০টি।

১১

নদ নদী

৮টি।

১২

হাটবাজার

৩৭টি

১৩

ব্যাংক

৫টি।

উপরে

উপজেলার পটভূমি


উপজেলার নামকরণঃ গোয়াইনঘাট উপজেলাধীন প্রাচীন জৈন্তা রাজ্যের একটি প্রাচীনতম ভূমি হওয়া স্বত্বেও ‘‘গোয়াইনঘাট’’ নামকরণের কোন সূত্র/যুক্তি খুজে পাওয়া যায় নাই। তবে গোয়াইনঘাট উপজেলা সদরটি অতি প্রাচীন নদী ‘‘গোয়াইন’’এর তীরে অবস্থিত। তাই নদীর নামকরণ অনুসারে থানা/উপজেলা সদরের নাম ‘‘গোয়াইনঘাট’’ হতে পারে।

উপজেলার ভৌগলিক অবস্থানঃ গোয়াইনঘাট উপজেলা বাংলাদেশের সর্ব উত্তর-পূর্ব কোণে অবস্থিত। উপজেলার উত্তর প্রান্তে ভারতের মেঘালয় প্রদেশের পূর্ব খাসিয়াহীল জেলা যার পুরো অংশই খাসিয়া জৈন্তা পাহাড়দ্বারা বেষ্টিত; র্পূবে জৈন্তাপুর উপজেলা, পশ্চিমে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা এবং দক্ষিণে সিলেট সদর উপজেলা অবস্থিত।গোয়াইনঘাট উপজেলার ম্যাপ

বর্তমান উপজেলার ইতিহাসঃ গোয়াইনঘাট উপজেলা প্রাচীন জৈন্তিয়া রাজ্যের অর্ন্তগত। জৈন্তিয়া একটি অতি প্রাচীন জনপদ। জৈন্তিয়ার প্রাথমিক যুগের ইতিহাস সম্পর্কে সুনির্দ্দিষ্টভাবে কোন কিছু জানা যায় না। প্রাচীন জৈন্তিয়ার ইতিহাসের মুল উৎস স্থানীয় উপখ্যান ও লোক কাহিনী। বিভিন্ন প্রাচীন হিন্দু ধর্ম গ্রন্থ যেমন-জৈমিনি মহাভারত, মন্ত্রচুরামণি, তন্ত্রচুরামনি ও কামাকাতন্ত্র প্রভৃতি পৌরাণিক সাহিত্যে জৈন্তিয়া রাজ্যের উল্লেখ আছে। পৌরাণিক যুগে জৈন্তিয়াকে নারী দেশ বা নারী রাজ্য বলা হতো। হিন্দুদের প্রাচীন ধর্মগ্রন্থে সিলেট অপর প্রাচীন ভূমি গৌড় ও লাউড়ের বর্ণনা না থাকলেও জৈন্তি বা জৈন্তিয়ার বিষয়ে উল্লেখ আছে। এতে প্রমাণিত হয় যে, সিলেটের প্রাচীন ভূমিগুলোর মধ্যে জৈমিত্ময়া সবচেয়ে প্রাচীন ও সমৃদ্ধ রাজ্য ছিল। প্রাচীন যুগের জৈমত্মা বা নারী রাজ্যের সঠিক বিস্তারিত জানা যায় না;তবে জৈন্তা পাহাড়কে কেন্দ্র করে নারী রাজ্যের অবস্থান ছিল। জৈন্তিয়া রাজ্যের উত্তর সীমানায় আহম (কামরূপ),পূর্বে কাছাড়,দক্ষিণে ত্রিপুরা ও গৌড় রাজ্য এবং পশ্চিমে লাউড় ও কামত্মা রাজ্য অবস্থিত ছিল।

জৈমিনী মহাভারতে উল্লেখ আছে যে,প্রমিলা নাম্নী এক বীর রমনী জৈন্তা বা নারী রাজ্যের অধিকারী ছিলেন। কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের পরে পান্ডব কুলপতি যুধিষ্টির এক অশ্বমেধ যজ্ঞ করেন। যুধিষ্টিরের যজ্ঞাশ্ব রানী প্রমীলা আটক করেন। মহাবীর অর্জুন চারজন বীরযুদ্ধাসহ যজ্ঞাশ্ব উদ্ধারের জন্য রানীর রাজ্যে আগমন করেন। প্রমীলার সংগে অর্জুনের যুদ্ধের উপক্রম হয়। নারীর সংগে অর্জুন যুদ্ধ করতে দ্বিধাগ্রস্থ হন। উভয়ের মধ্যে সন্ধি ও শামিত্ম স্থাপিত হয়। প্রমীলার রূপ লাবণ্যে মোহিত হয়ে অর্জুন প্রমীলার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। মহাভারতে ‘‘খাস’’ বলে একটি বিশেষ স্থান/রাজ্যের উল্লেখ আছে। খাসিয়াদের আবাসভূমি খাস রাজ্য এতে প্রমাণিত হয় যে, ৪ হাজার বছর পূর্বে মহাভারতের যুগে জৈন্তিয়া একটি সমৃদ্ধ জনপদ ছিল। এই উপমহাদেশের বিভিন্ন রাজ্যের সাথে জৈন্তিয়া রাজ্যের পার্থক্য হলো-মৌর্য, গুপ্ত, সেনযুগ এবং পরবর্তী মুসলিম যুগের সুলতানগণ এবং মুঘল সম্রাটেরাও জৈন্তিয়া রাজ্যকে পরাভুত করে দখল করতে পারেনি। প্রাচীন যুগ থেকেই জৈন্তিয়া স্বাধীন রাজ্য ছিল। ১৮৩২ সালে জৈন্তিয়ার শেষ স্বাধীন রাজা রাজেন্দ্র সিংহ সিংহাসনে বসেন। কিন্তু ছোট্ট একটি অজুহাতে এবং কুট কৌশলের আশ্রয় গ্রহণ করে ইংরেজরা ১৮৩৫সালে জৈন্তা রাজ্য দখল করেন এবং রাজা রাজেন্দ্রকে বন্দী করে সিলেটে নিয়ে আসেন। ১৮৩৫সালের পর থেকে জৈন্তা রাজ্যের ১৮টি পরগণা ইংরেজদের দখলে আসে এবং সিলেটের সাথে অর্ন্তভুক্ত হয়।

ইংরেজ আমলে প্রাথমিক ভাবে জৈন্তা রাজ্যে কানাইঘাটে একটি থানা এবং তার অধীনে জৈন্তা এবং গোয়াইনঘাটে দুটি আউটপোষ্ট স্থাপিত হয়। পরবর্তীতে গোয়াইনঘাট পূর্ণাঙ্গ থানার মর্যাদা লাভ করে। গোয়াইনঘাট থানার অধীনে ছিল ৫টি পরগণা যথা-জাফলং,ধরগ্রাম,পিয়াইনগুল,আড়াইখা,পাচঁভাগ(পশ্চিমভাগ)। ১৬/১০/১৯০৫ইং তারিখে পূর্ববঙ্গ আসাম নিয়ে একটি প্রদেশ গঠিত হয়। এই নতুন প্রদেশের অর্ন্তভুক্ত ছিল চট্রগ্রাম ঢাকা রাজশাহী বিভাগ মালদহ জেলা পার্বত্য ত্রিপুরা ও আসাম। শাসনতান্ত্রিক ও উন্নয়ন মুলক কর্মকান্ডের সুবিধার জন্য পূর্ববঙ্গ আসাম প্রদেশ সৃষ্টি করা হয়। কিন্তু এই নতুন প্রদেশ সৃষ্টির পর হিন্দু সম্প্রদায় তার বিরোধিতা করে বঙ্গভঙ্গ রোধ করার জন্য আন্দোলন শুরু করে। এই আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে ১৯১১ সালের ১২ই ডিসেম্বর বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয়। আসাম পুনরায় চিফ কমিশনারের শাসিত প্রদেশে গণ্য হয়। সিলেট একটি জেলা হিসাবে পুনরায় ১৯১২ সালের ১লা এপ্রিল আসামের সাথে যুক্ত হয়। পরবর্তী সময়ে ইতিহাসের পরিক্রমায় ১৯৪৭ সালের জুন মাসের ভারত বিভাগ পরিকল্পনার অংশ হিসাবে ৬ ও ৭ই জুলাই সিলেটে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। ভোটের ফলাফলে দেখা যায় যে, ৫২,৭৮০ ভোটের ব্যবধানে সিলেট পাকিস্থানের পক্ষে রায় দেয়। দেশ বিভাগের সময় থেকে গোয়াইনঘাট উপজেলা সিলেটের একটি থানা হিসাবে তদানিন্তন পাকিস্থানে যুক্ত হয়। গোয়াইনঘাট থানা ১৯০৮সালে প্রতিষ্টিত হয়।

পরবর্তীতে ১৫-০৪-১৯৮৩ইং সালে মান উন্নিত থানা হিসাবে উপজেলায় রূপান্তরিত হয়।


উপরে

পরিচালনা পর্ষদ

ক্রমিক নং

নাম

পদবী

০১

জনাব আব্দুল হাকিম চৌধুরী

চেয়ারম্যান উপজেলা পরিষদ

০২

জনাব মোঃ জামাল উদ্দিন

ভাইস চেয়ারম্যান উপজেলা পরিষদ

০৩

জনাবা খোদেজা রহিম কলিম

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান উপজেলা পরিষদ

০৪

জনাব মোঃ আবুল কালাম

চেয়ারম্যান,১নং রম্নসত্মমপুর ইউ/পি

০৫

জনাব মোঃ ফয়জুল ইসলাম

চেয়ারম্যান,২নং পশ্চিম জাফলং ইউ/পি

০৬

জনাব মোঃ হামিদুল হক ভুইয়া

চেয়ারম্যান,৩নং পূর্ব জাফলং ইউ/পি

০৭

জনাব মোঃ লুৎফুল হক

চেয়ারম্যান,৪নং লেংগুড়া ইউ/পি

০৮

জনাব হাজ্বী সিরাজ উদ্দিন

চেয়ারম্যান,৫নং আলীরগাওঁ ইউ/পি

০৯

জনাব মোঃ নুরম্নল ইসলাম

চেয়ারম্যান,৬নং ফতেপুর ইউ/পি

১০

জনাব মোঃ সিরাজুল ইসলাম

চেয়ারম্যান,৭নং নন্দিরগাওঁ ইউ/পি

১১

জনাব মোঃ ওমর আলী

চেয়ারম্যান,৮নং তোয়াকুল ইউ/পি

উপজেলার কার্যক্রম

01. পাঁচসালা ও বিভিন্ন মেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনা তৈরী করা;

02. পরিষদের নিকট হস্তান্তরিত বিভিন্ন সরকারী দপ্তরের কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং উক্ত দপ্তরের কাজকর্মসমুহের তত্ত্বাবধান ও সমন্বয় করা;

03. আত্ন:ইউনিয়ন সংযোগকারী রাস্তা নির্মাণ, মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ ধেকরা;

04. ভু-উপরিস্থত পানি সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য সরকারের নির্দেশনা অনুসারে উপজেলা পরিষদ ক্ষুদ্র সেচ প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন;

05. জনস্বাস্থ্য,পুষ্টি ও পরিবার পরিকল্পনা সেবা নিশ্চিতকরণ;

06. স্যানিটেশন ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নতি সাধন এবং সুপেয় পানীয় জলের সরবরাহ ব্যবস্থা গ্রহণ;

07. (ক) উপজেলা পর্যায়ে শিক্ষা প্রসারের জন্য উদ্ধুদ্ধকরণ এবং সহায়তা প্রদান;

(খ) মাধ্যমিক শিক্ষা এবং মাদ্রাসা শিক্ষা কার্যক্রমের মান উন্নয়নের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠাগুলোর কার্যক্রম তদারকী ও উহাদিগকে সহায়তা প্রদান;

০৮. কুটির ও ক্ষুদ্র শিল্প স্থাপন ও বিকাশের লক্ষ্যে কার্যক্রম গ্রহণ;

০৯. সমবায় সমিতি ও বেসরকারী স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানের কাজে সহায়তা প্রদান এবং উহাদের কাজে সমন্বয় সাধন;

১০. মহিলা শিশু সমাজকল্যাণ এবং যুব ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে সহায়তা প্রদান এবং বাস্তবায়ন করা;

১১. কৃষি গবাদি পশু মৎস্য এবং বনজ সম্পদ উন্নয়নে কার্যক্রম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন;

১২. উপজেলায় আইন শৃংখলা পরিস্থিতির উন্নয়নসহ পুলিশ বিভাগের কার্যক্রম আলোচনা এবং  নিয়মিতভাবে উর্ধ্বতন 

কর্তৃপক্ষ  নিকট প্রতিবেদন প্রেরণ;

১৩. সন্ত্রাস চুরি ডাকাতি চোরাচালান মাদক দ্রব্য ব্যবহার ইত্যাদি অপরাধ সংঘটিত হওয়ার বিরুদ্ধে জনমত সৃষ্টিসহ অন্যান্য

প্রতিরোধমুলক কার্যক্রম গ্রহণ।

১৪. সরকার কর্তৃক সময়ে সময়ে প্রদত্ত অন্যান্য কার্যাবলী।
উপরে