জেলা প্রশাসন
left_menu_pic
Joomla Slide Menu by DART Creations
left_menu_footer
গোলাপগঞ্জ উপজেলা পরিষদ


ইকবাল  আহমদ  চৌধুরী
চেয়ারম্যান
যোগাযোগের তথ্য
ঠিকানা :উপজেলা পরিষদ কার্যালয়, গোলাপগঞ্জ

টেলিফোন :০৮২২৭-৫৬৪৭০


মুঠোফোন :০১৭১১৮১২২৮৭
ই-মেইল :

নাজমুল আবেদীন

উপজেলা নির্বাহী অফিসার্

এক নজরে উপজেলা | উপজেলার পটভুমি | উপজেলা পর্ষদ

এক নজরে উপজেলা

আয়তন

১০৫.৫৭ বর্গ মাইল অথবা ২৭৪ বর্গ কিলোমিটার।

জনসংখ্যা

২৬৩২২০ জন

জনসংখ্যার ঘনত্ব

৮২৫ জন(প্রতি বর্গ.কি.মি)

নির্বাচনী এলাকা

গোলাপগঞ্জ,বিয়ানীবাজার

থানা/ইউনিয়ন

১১ টি

মৌজা

১০০টি

সরকারী হাসপাতাল

০১ টি

স্বাস্থ্য কেন্দ্র/ক্লিনিক

০৭ টি

পোষ্ট অফিস

প্রধান পোষ্ট অফিস ০১টি,সাব পোষ্ট অফিস-৪৭ টি

নদ-নদী

০৩ টি

হাটবাজার

২৩ টি

ব্যাংক

১৯ টি

উপরে

উপজেলার পটভূমি

উপজেলার নামকরণঃ গোলাপগঞ্জ  ও তৎসলগ্ন  বিভিন্ন  অঞ্চলের  নামকরণের  কোন  প্রামান্য  দলিল  অদ্যবধি  পাওয়া  যায়নি। তাই  জনশ্রুতি ও  কিংবদন্তীর  উপর  ভিত্তি  করে  গোলাপগঞ্জ  উপজেলার  নামকরণের  ইতিহাস  তুলে  ধরা  হলো।

মোগল  শাসনামলে  সম্রাট  মুহাম্মদ  শাহ  (১৭১৯-৪৮) এর  রাজত্বকালে  আনুমানিক  ১৭৪০ সালে  অল্পকালের  জন্য  সিলেটের  দেওয়ান (রাজস্ব  কর্মকর্তা) নিযুক্ত হয়ে  মুর্শিদাবাদ  থেকে  সিলেটে আসেন  গোলাব রাম  মতান্তরে  গোলাব রায়। এসময়  সিলেট  অঞ্চলের  ফৌজদার  ছিলেন  শমসের  খান এবং সুবা বাংলার শাসনকর্তা ছিলেন সুজা উদ্দিন খান। দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই এই ধর্মপ্রাণ দেওয়ান গোলাপগঞ্জের ঢাকাদক্ষিনে শ্রী চৈতন্যের পিতৃভূমি সম্পর্কে অবগত হন। দেওয়ানের নির্দেশে সিলেট থেকে ঢাকাদক্ষিন পর্যন্ত সড়ক ও সেতু নির্মিত হয় । এ সড়ক পথে ঢাকাদক্ষিণ  এসে দেওয়ান শ্রী চৈতন্যের পিতৃভুমিতে এক মন্দির স্থাপন করেন। এর সামনে একটি দীঘি খনন করান । হেতিমগঞ্জ থেকে ঢাকাদক্ষিণ গামী সড়কটি আজও দেওয়ানের সড়ক নামে পরিচিতি। এ সড়কের দেওয়ানের পুল নামে একটি প্রাচীন কালর্ভাট আজও বর্তমান । ধারনা করা হয় এই দেওয়ানের নাম অনুসারেই সুরমা নদীর তীরে গোলাবগঞ্জ নামে একটি বাজার গড়ে উটে । যাহার কালক্রমে পরিবর্তিত হয়ে গোলাপগঞ্জ নামধারণ করে। গোলাপগঞ্জের একটি প্রাচীন দলিল ও রেকর্ড পত্রে গোলাবগঞ্জ নামটি এরই সাক্ষ্য বহন করে।


উপজেলার ভৌগোলিক অবস্থানঃ পূর্বে-বিয়ানীবাজার,পশ্চিমে-দক্ষিন সুরমা, উত্তরে-কানাইঘাট, দক্ষিণে-ফেঞ্চুগঞ্জ।


উপজেলার ইতিহাসঃ প্রাচীন ও মধ্যযুগের গোলাপগঞ্জের কোন পৃথক ইতিহাস অদ্যাবধি রচিত হয়নি । তবে  প্রাচীন শ্রীহট্টের অংশ হিসেবে এর ইতিহাস সিলেট অঞ্চলের ইতিহাস থেকে  ভিন্ন নয় বলেই মনে হয় । খ্রিষ্টীয় সপ্তম শতাব্দী পর্যন্ত সিলেট কামরুপ রাজ্যের অর্ন্তগত ছিল। প্রাচীন সিলেটে প্রথমে অষ্ট্রিকগন এবং পরে মঙ্গোলীয় গোত্রের লোকদের বসতি গড়ে উঠে । ৬১৪ খ্রিষ্টাব্দে ত্রিপুরা রাজ ধর্মপাল এবং ৭৩২ খ্রিষ্টাব্দে গৌড়াধিপতি আদিশুর (জয়ন্ত) কর্তৃক বৈদিক ব্রাহ্মণ আনয়নের মাধ্যমে এ অঞ্চলে আর্য সভ্যতার অনুপ্রবেশ ঘটে । গোলাপগঞ্জ এর ঢাকাদক্ষিন ,রায়গড়,কানিশাইল ,নিজ ঢাকাদক্ষিন, পালপাড়া প্রভৃতি গ্রামে এই বৈদিক ব্রাহ্মণদের বংশধরগণ বসবাস করতেন। পাঠান ও মুঘল যুগে গোলাপগঞ্জ এর ঢাকাদক্ষিনের বহুসংখ্যক বেদজ্ঞ পন্ডিত ব্রাহ্মণদের বসবাস ছিল  এবং এদের প্রচেষ্ঠায় ঢাকাদক্ষিন বৈদিক শিক্ষার ঐতিহাসিক কেন্দ্রে পরিণত হয়েছিল । ষোড়শ শতকে এই ঢাকাদক্ষিনেরই পন্ডিত জগন্নাথ মিশ্রের কৃতী সন্তান শ্রী চৈতন্য  (বিশ্বম্ভর মিশ্র) বাঙালির আধ্যাত্নিক জীবনে এক বৈপ্লবিক যুগের সূচনা করেন । ব্রাহ্মণ্যবাদ ও উগ্র বর্ণবাদের বিরুদ্ধে শ্রী চৈতন্য পরিচালিত গণ বিপ্লবে বাংলার আপামর জনসাধারণ বিপুলভাবে সাড়া দিয়েছিলেন।  শ্রী চৈতন্যের সমকালে এবং এর বহুকাল পূর্ব থেকে নবদ্বীপে ঢাকাদক্ষিনের বহু বেদজ্ঞ অধ্যয়ন কিংবা অধ্যাপনার নিমিত্তে বসবাস করতেন । ঢাকাদক্ষিনের রত্নগর্ভ আচার্য্য সে সময় নবদ্বীপে বসবাসকারী এক পন্ডিত ছিলেন। তাঁর পুত্র যদুনাথ কবিচন্দ্র প্রসিদ্ধ বৈষ্ণব পদকর্তা ছিলেন ।তাঁর রচিত  ‘‘ পদকল্পতরু ’’ এক বিখ্যাত বৈষ্ণব কাব্য। পরবর্তীতে ঢাকাদক্ষিনের প্রদ্যুন্ম মিশ্র ( শ্রী চৈতন্যের জেঠতুতো ভাই ) রচিত ‘‘ শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্যেদয়াবলী ’’ এবং জগজ্জীবন  মিশ্র রচিত ‘‘ মনোঃসন্তোষিনী ’’ বৈষ্ণব সাহিত্য দুটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন।



উপরে

পরিচালনা পর্ষদ

ক্রমিক নং

নাম

পদবী

০১

জনাব  ইকবাল  আহমদ

চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদ, গোলাপগঞ্জ, সিলেট

০২

জনাব  হুমায়ুন ইসলাম কামাল

ভাইস চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদ, গোলাপগঞ্জ, সিলেট

০৩

বেগম  নাজিরা বেগম

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদ, গোলাপগঞ্জ, সিলেট

০৪

জনাব জাকারিয়া আহমদ

মেয়র, গোলাপগঞ্জ পৌরসভা,

০৫

জনাব দুলাল উদ্দিন

ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, ১নং বাঘা ইউপি,

০৬

জনাব মাখন মিয়া

চেয়াম্যান, ২নং গোলাপগঞ্জ  ইউপি,

০৭

জনাব মোঃ আনোয়ার হোসেন

ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, ৩নং ফুলবাড়ী  ইউপি,

০৮

জনাব মিছবাহুল কাদির ফাহিম

চেয়ারম্যান, ৪নং লক্ষীপাশা ইউপি,

০৯

জনাব  মোঃ শরিফ উদ্দিন

চেয়ারম্যান, ৫নং বুধবারী বাজার ইউপি

১০

জনাব  মোহাম্মদ মজির উদ্দিন চাকলাদার

চেয়ারম্যান, ৬নং ঢাকাদক্ষিন ইউপি,

১১

জনাব নছিরুল হক শাহীন

চেয়ারম্যান, ৭নং লক্ষনাবন্দ ইউপি,

১২

জনাব এমএ ছালিক

চেয়ারম্যান, ৮নং ভাদেশ্বর  ইউপি,

১৩

জনাব রাজু আহমদ তালুকদার

চেয়ারম্যান, ৯নং পশ্চিম আমুড়া  ইউপি,

১৪

জনাব আবুল আজাদ,ভারপ্রাপ্ত

চেয়ারম্যান, ১০ উত্তর বাদেপাশা ইউপি,

১৫

জনাব এমএ মোছাবিবর

চেয়ারম্যান, ১১ নং শরীফগঞ্জ  ইউপি।


উপজেলার কার্যক্রম

- পাঁচসালা ও বিভিন্ন মেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনা তৈরী।

-পরিষদের নিকট হস্তান্তরিত বিভিন্ন সরকারী দপ্তরের কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং উক্ত দপ্তরের কাজকর্মসমূহের তত্ত্বাবধান ও সমন্বয়;

-আন্তইউনিয়ন সংযোগকারী রাস্তা নির্মাণ, মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষন করা;

-ভূ-উপরিস্থিত পানি সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য সরকারের নির্দেশনা অনুসারে উপজেলা পরিষদ ক্ষুদ্র সেচ প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন;

-জনস্বাস্থ্য, পুষ্টি ও পরিবার পরিকল্পনা সেবা নিশ্চিতকরণ;

-স্যানিটেশন ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নতি সাধন এবং সুপেয় পানীয় জলের সরবরাহ ব্যবস্থা গ্রহণ;

-উপজেলা পর্যায়ে শিক্ষা প্রসারের জন্য উদ্বুদ্ধকরণ এবং সহায়তা প্রদান;

-মাধ্যমিক শিক্ষা এবং মাদ্রাসা শিক্ষা কার্যক্রমের মান উন্নয়নের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলির কার্যক্রম তদারকি ও উহাদিগকে সহায়তা প্রদান;

-কুটির ও ক্ষুদ্র শিল্প স্থাপন ও বিকাশের লক্ষ্যে কার্যক্রম গ্রহণ;

-সমবায় সমিতি ও বেসরকারী স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানের কাজে সহায়তা প্রদান এবং উহাদের কাজে সমন্বয় সাধন;

-মহিলা, শিশু, সমাজকল্যাণ এবং যুব, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে সহায়তা প্রদান এবং বাস্তবায়ন;

-কৃষি, গবাদি পশু, মৎস্য এবং বনজ সম্পদ উন্নয়নে কার্যক্রম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন;

-উপজেলায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নসহ পুলিশ বিভাগের কার্যক্রম আলোচনা এবং নিয়মিতভাবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট প্রতিবেদন প্রেরণ;

-আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য নিজ উদ্যোগে কর্মসূচী গ্রহণ, বাস্তবায়ন এবং এতদসম্পর্কে সরকারী কর্মসূচি বাস্তবায়নে সরকারকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান;

-ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়ন কার্যক্রমের সমন্বয় সাধন ও পরিবীক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান;

-নারী ও শিশু নির্যাতন ইত্যাদি অপরাধ সংগঠিত হওয়ার বিরুদ্ধে জনমত সৃষ্টিসহ অন্যান্য প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম গ্রহণ;

-সন্ত্রাস, চুরি, ডাকাতি, চোরাচালান, মাদক দ্রব্য ব্যবহার ইত্যাদি অপরাধ সংঘটিত হওয়ার বিরুদ্ধে জনমত সৃষ্টিসহ অন্যান্য প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম গ্রহণ;

-পরিবেশ সংরক্ষন ও উন্নয়নের লক্ষ্যে সামাজিক বনায়নসহ অন্যান্য কার্যক্রম গ্রহণ;

-সরকার কর্তৃক সময়ে সময়ে প্রদত্ত অন্যান্য কার্যাবলী;

উপরে